স্বামী ও স্ত্রী বিচ্ছেদ মামলায় ভরণ পোষণ দিতে হয় স্বামীকে তাই পুরুষ কে ভারতীয় আইনে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে (Indian law divorce ) আর্থিক দায়িত্ব নিতে হয় স্ত্রীর।
এটাকেই একাংশের মহিলারা সুবিধা নিয়ে,স্বামীদের আইনি জোটে যুক্ত করছেন।
ভারতীয় আইনে স্ত্রী ও সন্তানদের লেখাপড়া ও যাবতীয় দায়িত্ত্ব স্বামী কে নিতে হয়। Section 125 of the Code এই আইন নির্দেশ বহাল আছে।
এই আইনের ক্ষমতা দেওয়া আছে ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে তিনি চাইলেই বাতিল করে দিতে পারেন স্ত্রীর ভরণ পোষণের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য স্বামী কে বাধ্য করতে।
Section 125 of the Code : স্ত্রীর ভরণ পোষণ নিয়ে কি বলা আছে ।
- ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করবে এটি যথেষ্ট আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য যথোপযুক্ত ।
- তিনি এটি তুলনা ও এটি নিতে নির্দেশ দিতে পারেন
- বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ওই মহিলা Section 125 of the Code অধীনে ভরণ পোষণ পাবেন কি না ম্যাজিস্ট্রেট মহিলার পরিবারে পারিপার্শিক বিষয় গুলি খতিয়ে দেখবেন
- এই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতে মামলা চলার সময় তিনি নতুন বিবাহ করে নিলে ।এই অর্ডার বাতিল হয়ে যাবে।
- স্বামী ডিভোর্স ফাইল করে তাহলে স্ত্রী জানতে পারে।উক্ত আদেশের তারিখের আগে বা পরে ।স্বামী আগে আর্থিক সাহায্য দিলে ,সে ক্ষেত্রেও মহিলা আর্থিক ভরণ পোষণ পেতে পারে ।
- যে কোনো আলাদা মামলায় অর্ডার পাওয়া অথবা উক্ত মামলাটি সমাপ্ত ,বাতিল হওয়ারআগে ,স্ত্রী ভরণ পোষণ পেতে পারে।
- মহিলা তার বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করে।মহিলার বিচ্ছেদের মামলা ও তিনি সেচ্ছায় এই আর্থিক দাবি প্রত্যাহার করে নিলে ।স্বামী কে আর্থিক দায়িত্ব নিতে হবে না।
- আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে স্ত্রী (under section 125, the Civil Court order for Women maintenance) স্বামী বাধ্য থাকবে আর্থিক সাহায্য কেস সম্পুর্ন হওয়ার বা চলাকালীন সাহায্য দিতে।
সুপ্রিমকোর্ট এই মামলায় অধ্যাপিকা স্ত্রী তাকে বলেন আপনি আর্থিক ভাবে সক্ষম ,তাহলে স্বামীর কাছে ভরণ পোষণ কেনো চাইছেন।
মহিলা জবাবে বলেন স্বামী তিনি ও একজন অধ্যাপক তার বেতন বেশি।তিনি ,ওই মহিলার যুক্তি আর্থিক সহায়তা আইনি দাবি । ভরণপোষণ ভাতা পাওয়ার অধিকারী।তাই তিনি অর্থাৎ স্ত্রীর উপার্জনের বিষয় এক করে দেখলে হবে না।
স্বামীর আইনজীবী শশাঙ্ক সিং আদালতকে বলে স্ত্রীর রোজগার মাসে ষাট হাজার টাকা,স্বামীর রোজগার এক লক্ষ টাকা ।এই ক্ষেত্রে উপার্জনের তুলনা যথোপযুক্ত নয়।
স্বামীর আইনজীবী বক্তব্য মহিলা যথেষ্ট আর্থিক সাবলম্বী তাই এই ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য তিনি বিবেচিত হতে পারেন না।
আদালতে অধ্যাপক স্ত্রী ও স্বামী দুজনের উপার্জন নিয়ে বিরোধ ।তাদের এক বছরের উপার্জনের হিসাব আদালতে পেশের নির্দেশ বিচারপতি দিয়েছেন ।
ওই মহিলা প্রথমে বিচ্ছেদের মামলা করে (Indian law divorce ) ও মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এবং নিম্ন আদালত ভরণপোষণের জন্য মামলা করে।সেই নির্দেশ মহিলার উপযুক্ত মনে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মহিলা।
সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়ার বেঞ্চ মহিলাকে আইনি ভরণ পোষণের সুবিধা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত প্রাথমিক নির্দেশে জানিয়েছে অধ্যাপিকা ওই মহিলা তিনি সাবলম্বী।এই বিষয়ে ভারতের সংবিধানের ১৩৬ অনুচ্ছেদের অধীনে হস্তক্ষেপ যথোপযুক্ত নয় বলে বিচারপতির বেঞ্চ মনে করেছে।
আদালত স্ত্রী ও স্বামী দুজনের উপার্জন হিসাব পেশে ও দেখে তার সিধান্ত জানাবে।
Leave a Reply